গোয়াইনঘাটে করোণায় স্বাস্থ্যবিধি আইন পালনে অনীহা | আমন্ত্রণ বাংলা

সৈয়দ বেলাল আহমদ বাদশা :: শুধু গোয়াইনঘাট উপজেলায় নয় প্রায় উপজেলায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক করোণা সংক্রামণ রোধে পালন হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি আইন। পরিবহন চালক সহ সাধারণ যাত্রীরা ও স্বাস্থ্য বিধি আইন মানতে নারাজ। সমাজ সচেতন শাহীন আহমেদ বলেন শহর তলির সিএনজি বাদে  উপজেলার সব কয়টি প্রধান প্রধান রোডে সিএনজি চালকদের ৫ জনের পরিবর্তে কখনো কখনো ৬/৭ জন যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করছেন। এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় মাল বাহির গাড়ির উপরেও ১০/১২ দল বেধে বসে থাকেন। শহরতলির সিএনজি তে উঠলেই বাড়তি বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। ৫ জন যাত্রী ভাড়া তিন জনকেই দিতে হয়। উনাদের মতে এটা রীতিমতো একটা অবিচার। এ বিষয় নিয়ে ফেইসবুকেও অনেকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। কয়েকজন সিএনজি চালকের মতামতে জানা যায় স্বাস্থ্যবিধি আইন মানতে তাদের কোন অসুবিধা নেই, কিন্তু আইন মানতে নারাজ যাত্রীরা। তিন জন কে পাঁচজনের ভাড়া দিতে হবে বললে শুরু হয়ে যায় তর্ক। তর্কাতর্কি শেষে যখন কিছু বলার থাকে না, তখন বলেন করোনায় খাইলে আমরারে খাইবো, তখন আমরা বাধ্য হয়েই ৫ থেকে ৬ জন যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করি। অনেক যাত্রী যেমন স্বাস্থ্যবিধি মানতে চাইছেন না, তেমনি পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা রয়েছে। সর্বত্রই যেন আইন না মানার প্রবণতা। কেন সামাজিক দূরত্ব মানছেন না, তাদের কাছে জানতে চাইলে একজন বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে চাইলে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিনি নিজে কেন মাস্ক ব্যবহার করেন নি? তিনি বলেন, মাস্ক গাড়িতে রেখেছি, গরমের জন্য পরি না। গোয়াইনঘাট উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাকিব(ইউএনও) সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা প্রতিটা বাজারে বাজারে পয়েন্টে পয়েন্টে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করে করোনায় স্বাস্থ্যবিধি আইন সামাজিক দূরত্ব মুখে মাস্ক পরিধান করা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষরা চলছে বিপরীতে। মাস্ক থাকে পকেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে পড়লেই মুখে মাস্ক পরিধান করা আর দুরত্ব বজায় রাখার কিছুটা ভাব ধরেন। সচেতন মহলের দাবি শুধু নির্দিষ্ট কোন এরিয়ায় করোণা স্বাস্থ্যবিধি আইন বাস্তবায়ন না করে সব জায়গাতে ন্যূনতম কিছুটা হলেও যেন স্বাস্থ্যবিধি আইন রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা নেওয়া হয়। আসুন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি মুখে মাস্ক পরিধান করি জরিমানা এড়িয়ে চলি।

No comments

Powered by Blogger.