করোনায় অন লাইন ক্লাসের সুফল ও কুফল আবুল কালাম আজাদ।
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশাঃ করোনাভাইরাস কালীণ যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। তখন ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় একাডেমিক ঘাটতি হবে তা সবার জানা।যাতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় একাডেমিক ঘাটতি না হয় তাই সরকার অনলাইনে ক্লাস করানোর জন্য তাগিদ দেয় শিক্ষামন্ত্রনালয়কে।সেই সুবাদে শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও ৪৬৯ টি অনলাইন স্কুলের মাধ্যমে ভার্চুয়াল ক্লাস চলছে, বাছাইকৃত শিক্ষকরাও ক্লাস নিচ্ছেন।ভার্চুয়াল স্কুল সমূহ ৮ টি বিভাগের ৫৮ টি জেলায় এই কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।আমার প্রশ্ন হল তাতে শিক্ষার্থীরা কতটুকু উপকৃত হচ্ছে?উপকৃত হচ্ছে ১০% শিক্ষার্থী।বাকিরা অনলাইন ক্লাসের ধারে কাছেও নেই।এর মূল কারণ হল অনেকের বাড়িতে এন্ড্রয়েড মোবাইল নেই,টেলিভিশন নেই। মানলাম মোবাইল আছে,মোবাইল থাকলেই কি অনলাইন ক্লাস করা যাবে?না যাবেনা কারণ মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস করতে হলে এমবি প্রয়োজন। এই এমবি তারা পাবে কোথায়।অনেক অসচ্ছল পরিবার আছে যাদের মোবাইল তো দুরের কথা এমবি কিনে দেওয়ারও ক্ষমতা নেই।কেউ কেউ মোবাইল থেকেও ক্লাসের ধারেকাছেও নেই।অনেক বঞ্চিত হচ্ছে পারিবারিক অসচেতনতার কারনে।তাই আমি মনে করি অনলাইন ক্লাসের কারণে অযথা সরকারের ব্যয় হচ্ছে।অনলাইন ক্লাস তখন সফল হবে যখন প্রতিটি পরিবারে এন্ড্রয়েড মোবাইল থাকবে আর সরকারি ভাবে এমবি সুবিধা বা ওয়াইফাই সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে ।অনলাইন ক্লাস কে পুজি করে পারিবারিক অসচেতনতার কারণে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বাদ দিয়ে মুভি দেখবে।অনলাইন ক্লাস সুফলতা আনবে সচেতন শহর ও গ্রাম অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ।তাই আমি মনে করি অনলাইনের ক্লাস বন্ধ করে বিকল্প চিন্তা করা উচিত।
অনলাইন ক্লাসের জন্য যে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ঐ টাকাগুলো নন এমপিও ও কিন্ডারগার্টেন এর শিক্ষকদের দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ।
আবুল কালাম আজাদ
সহকারী শিক্ষক
পরগনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
অনলাইন ক্লাসের জন্য যে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ঐ টাকাগুলো নন এমপিও ও কিন্ডারগার্টেন এর শিক্ষকদের দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ।
আবুল কালাম আজাদ
সহকারী শিক্ষক
পরগনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।

No comments