করোনা কালে দেশের ক্রান্তিলগ্নে থেমে নেই দুর্নিতীবাজরা। আবুল কালাম আজাদ।

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশাঃ দেশে কোনো দুর্দিন দেখা দিলে লাভবান হয় এক শ্রেণির আমলা। আমার মনে হয় এ আমলারা মনে মনে দোয়া করেন দেশে দুর্দিন আসুক-আসুক,আমাদের লুটপাট করার সুযোগ আসুক-আসুক।করোনাভাইরাস কালীল লুটপাট হচ্ছে বিশেষ করে  স্বাস্থ্য ও অন্যান্য খাতও রয়েছে।  লুটপাটের দলেরা  একবারও চিন্তা করেনা এসব  ধান্দা করে লাভ কি।একবারও কি তাদের মনের ভিতর চিন্তা হয় না একদিন তো মরে যেতে হবে, এসব দিয়ে কি হবে।আমাদের দেশে অনেক অনেক আমলা ও জনপ্রতিনিধি রয়েছেন যারা ভদ্রতার লেবাস পরে লুটপাটের ধান্দা  নিয়ে ব্যস্ত।  এতো টাকা পয়সার কি দরকার,টাকা নিয়ে তো আর কেউ পরকালে যাবেনা।পরকালে যাবে ভালো কাজ করার ফলাফল।যেখানে সামান্য ত্রুটি হলে পদত্যাগ করেন বিশ্বের অনেক  দেশের মন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীও।আর বাংলাদেশে পুকুর চুরি হলেও হলেও বলবে এটা একটা ব্যাপার হল।
বর্তমান কোরোনাভাইরাস কালীন যা  দুর্নীতি হল তা বাংলাদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সরোয়ারদী হাসপাতাল সরকারি হাসপাতালগুলোতে একটি ডিমের দাম ১০০০ টাকা, একটি কলার দাম ২০০০, টাকা, এবং একটি ব্রেড পাউরুটি র একাংশের দাম ৩০০০ টাকা।কিছু জনপ্রতিনিধিদের পুকুরে পাওয়া গেল চাল,সুফার ভেতর পাওয়া গেল তেল।হায়রে কিছু জাতি  কোনদিন যে তোমাদের মস্তিষ্ক পুষ্পের মতো হবে!
আবুল কালাম আজাদ
সহকারী শিক্ষক
পরগনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
প্রধান উপদেষ্টা, অভিযাত্রিক ইয়ুথ ক্লাব।

No comments

Powered by Blogger.